শিরোনাম :
জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হল বাংলাদেশকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে নরসিংদী পৌরসভা পেল ৫ টি ড্রাম ট্রাক  মারমাদের ঐতিহ্যবাহী নাচে-গানে মুগ্ধ রিজিয়ন কমান্ডার ওয়াদুল মায়ের কবরের পাশে শায়িত হলেন নরসিংদীর যুবলীগ নেতা আবু তালেব  বাংলাদেশ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে কৃষক কার্ড: প্রধানমন্ত্রী আগামী জুনের মধ্যে দেওয়া হবে হেলথ কার্ড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী নরসিংদীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষকে  বরণ নরসিংদী বয়েজ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ  ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ‘নরসিংদী ম্যারাথন ২০২৬’; শীঘ্র রেজিস্ট্রেশন শুরু
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন

দ্বিতীয়বারের মত বন্যায় লংগদুর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত; পানিবন্দি হাজারো মানুষ

সাকিব আল মামুন / ৩১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাঙামাটি প্রতিনিধি

সীমান্ত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারও পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার মাইনী নদী, কাঁচালং নদী, চেঙ্গী নদীর অববাহিকা এবং কাপ্তাই হ্রদসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।  বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার আটারকছড়া, কালাপাকুজ্জ্যা, গুলশাখালী, বগাচতর, ভাসান্যাদম, মাইনীমূখ সহ লংগদু সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি সহ গবাদি পশু।

শুক্রবার (১২ সেপ্টম্বর) কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। আকস্মিক এই বন্যায় মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনের তাগিদে স্থানীয়রা নৌকা দিয়ে চলাচল করছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে তাদের। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোও পানিতে ডুবে যাওয়ায় চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে জনসাধারণের।

মাইনী নদী ও কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় গত রাতে প্রায় ২-৩ ফুট পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চল দ্বিতীয় দফায় প্লাবিত হয়েছে। গত জুলাইয়ে শেষ সপ্তাহে পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পানিবন্দি হয়েছিল ৩ শতাধিক পরিবার। পরে পানি কমে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখন আবারও বন্যার কবলে পড়ে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ।

কালাপাকুজ্জ্যা ইউনিয়নের হোসেনপুর এলাকার সালমান জানান, পানি বাড়লেই বাড়িতে পানি ঢুকে যায়। ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। বাচ্চা ও গবাদি পশু নিয়ে পড়েছি বিপাকে। কিছুদিন আগে বন্যায় আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে থাকতে হয়েছে। এক মাসেই দুই বার পানি উঠেছে। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টের মধ্যে দিন পার করছি।

জারুল বাগান এলাকার আব্দুল মান্নান বলেন, পানি কমায় মন ভালো হয়েছিল। কিন্তু গত দুই-তিন দিন ধরে প্রচুর পরিমাণে পানি বাড়ছে। পানি বাড়লে আমরা বড় বেশি সমস্যায় পড়ে যাই। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হয় অনেকের।

লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, সীমান্তে বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার নদ-নদীর পানি বেড়েছে। অবিরত বৃষ্টির ফলে লংগদুর নিম্নাঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি। ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে এবং ত্রাণ সহায়তা চলমান থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট ১ ফুট করে খোলা থাকলেও বন্যার্তদের দাবি ৩ ফুটেরও অধিক খুলে দেওয়া হোক। তাহলে পানি দ্রুত সরে যাবে এবং মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে।

শিপ্র/শাহোরা/সাআমা/


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!