শিরোনাম ডেস্ক:
বাংলাদেশের আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেও তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে দ্বৈত নাগরিকত্ব যথাযথভাবে ত্যাগ না করার কারণে। আবার কোনো কোনো প্রার্থী দ্বৈত নাগরিক হয়েও এ নিয়ে হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দুই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইসিতে আপিল করা হয় এই মাসের শুরুতে।
এতে কোনো কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেছেন, কেউ কেউ আবার তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দ্বৈত নাগরিক এমন অভিযোগ জানিয়ে মনোনয়ন বাতিলের আবেদনও করেছিলেন।
এই যেমন, ফেনী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। রিটানিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোঘণা করেন।
পরে মি. মিন্টু দ্বৈত নাগরিক এমন অভিযোগ জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেন তারই প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী।
বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তাদের বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়।
একই সাথে বাংলাদেশের সংবিধানেও বলা আছে, বাংলাদেশ বাদে অন্য দেশের নাগরিকত্ব থাকলে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
এজন্য সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের হলফনামায় একটি সুনির্দিষ্ট ঘর রয়েছে। যেখানে প্রত্যেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়।
শিপ্র/ওকে/শিডে