দফায় দফায় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরও থমকে আছে নরসিংদীর রায়পুরায় নির্মিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সেবা কার্যক্রম। ইতোমধ্যে উপজেলার মরজাল এলাকায় নির্মাণের প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হয়েছে। একজন মাত্র কর্মচারী ছাড়া অন্যকোন কর্মচারী কর্মকর্তা নিয়োগে
তৎপরতা না থাকায় থমকে আছে কেন্দ্রটির সেবা কার্যক্রম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নেই কোন যন্ত্রপাতি, নিযোগ দেওয়া হয়নি কোন এমবিএস ডাক্তার, অথচ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে আর্জিনা খাতুন নামে এক নারীকে প্রায় এক বছর ধরে নিয়োগ দিয়ে সরকারি বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা প্রশ্ন, জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটি চালু না থাকা সত্ত্বেও কর্মহীন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগের কি কারন থাকতে পারে?
রায়পুরা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুনের বেতন উপজেলা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষরে দেওয়া হয়। পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং দ্রুত বদলীর আশ্বাস দিয়েছেন।
রায়পুরা উপজেলা মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) ডা. আসাদুজ্জামান আল গালিবও জানিয়েছেন, কেন্দ্রটি কার্যক্রম শুরু না হতেই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে আর্জিনা খাতুনকে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, কর্মহীন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি তার অফিস কক্ষে অলস সময় ব্যয় করেন। আবার কখনো কখনো তাকে নিজ কক্ষে সহকর্মীদের গল্প আড্ডা মেতে থাকতে দেখা যায়।